উন্নয়নশীল দেশের সুপারিশ অর্জন বাংলাদেশের

বিশেষ প্রতিনিধি

0

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে স্বল্পোন্নতদেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। এ কৃতিত্ব জনগণকে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘের নিয়ম অনুসারে, কোন দেশ পরপর দুটি ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনায় উত্তরণের মানদণ্ড পূরণ করতে পারলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করে। বাংলাদেশ দ্বিতীয় বারের মতো এই মানদণ্ডগুলো অর্জন করেছে।

বাংলাদেশের এই অর্জন তুলে ধরতে আজ (শনিবার) সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ অবশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি বাংলাদেশের একটি মহৎ এবং গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য।

“বাংলাদেশ গতকাল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।”

“এ কৃতিত্ব এ দেশের আপামর জনসাধারণের। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছি।”

স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সাল থেকে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে পড়ে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত পূরণ করে ২০১৮ সালে।

উন্নয়নশীল দেশ হতে একটি দেশের মাথাপিছু আয় কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার হতে হয়, পক্ষান্তরে ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৮২৭ ডলার।

সুপারিশ পাওয়ার পর একটি দেশ তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রস্তুতিকালীন সময় ভোগ করতে পারে।
উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠলে সস্তা ঋণ পাওয়া সহ বিভিন্ন রপ্তানি সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। ফলে সেই সুবিধাগুলো উত্তরণের প্রস্তুতি পর্বে চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্বল্পোন্নতদেশের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে