শীতলক্ষ্যায় যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, চলছে উদ্ধার অভিযান

বিশেষ প্রতিবেদন

0
নারায়ণগঞ্জের মদনগঞ্জ ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে বালুবোঝাই জাহাজের ধাক্কায় যাত্রী বোঝাই লঞ্চ ডুবে গেছে। আজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল বলে জানা যায়। লঞ্চডুবির ঘটনায় এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আহত অবস্থায় ১১জনকে উদ্ধার করে হাসাপাতলে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা প্রায় ৬টায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে এম এল রাবিত আল হাসান নামের লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে। প্রায় ১৫ মিনিট পর লঞ্চটি বন্দর থানার মদনগঞ্জে নির্মাণাধীন শীতলক্ষ্যা সেতু-৩ এর নিকট পৌছালে পেছন থেকে একটি কার্গো জাহাজ লঞ্চটিকে ধাক্কা দিয়ে ভাসিয়ে ৫০ ফুট দুরে ব্রিজের নিচে নিয়ে যায়। এতে লঞ্চটি কাত হয়ে ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর পরই বালুবোঝাই জাহাজটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।

দুর্ঘটনায় লঞ্চটি নিমজ্জিত হলে ছাঁদে থাকা ১৫/২০জন যাত্রী সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হয়। কিন্তু লঞ্চে প্রায় ৫০-৬০ জন যাত্রী ছিল। ভেতরে থাকা যাত্রীরা এখনো নিখোঁজ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, নৌ পুলিশের টিম ও ফায়ার সার্ভিসের টিম নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টির কারণে তারা উদ্ধার কাজে নামতে পারছে না। অন্যদিকে সন্ধ্যার পর থেকেই নদীর তীরে নিখোঁজ স্বজনদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠে আশপাশের পরিবেশ।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা জানান, আপাতত একজন নারী উদ্ধারের পর হাসাপাতলে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেছে বলে জানতে পেরেছি। রাস সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ১১ জনকে নদীর তীর থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকী তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় পৌঁছানোর জন্য রওনা দিয়েছে। বৃষ্টি কমলেই উদ্ধার কাজে তৎপর হবে সংশ্লিষ্টরা।