জনশূন্য কক্সবাজার সড়ক, তৎপর প্রশাসন

0

কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে শহরের আগের ব্যস্ততম বাইপাস সড়ক, কলাতলী সৈকত সড়ক, শহরের প্রধান সড়ক সকাল থেকেই ছিল ফাঁকা। কয়েকটি রিকশা, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ছাড়া এসব সড়কে তেমন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।

গত ১ এপ্রিল থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের সমাগম নিষিদ্ধ করে জেলা প্রশাসন। তা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে সে সময় বলা হয়েছিল। তবে বুধবার থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী শুরু হওয়া সর্বাত্মক লকডাউনেও কাউকে সৈকতে নামতে দিচ্ছে না পুলিশ। ফলে সমুদ্রসৈকতও ফাঁকা। বন্ধ রয়েছে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজ।

লকডাউন কার্যকরের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন পুলিশের বিশেষ টিম।

কঠোর লক ডাউনে ‘মুভমেন্ট পাস’ নিয়ে বের হতে হচ্ছে বাইরে। বের হলেই পড়তে হচ্ছে পুলিশি চেকপোস্টে। পাস এবং বের হওয়ার যথার্থ কারন দেখাতে ব্যর্থ হলে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। লকডাউনে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা দেয়া হলেও সর্ব মহলের সমালোচনায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়েছে।

তবে ব্যাংক খোলা থাকলেও গ্রাহকদের উপস্থিতি কম লক্ষ করা গেছে।

উল্লেখ্য, গতকাল কক্সবাজারে ৪৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে হয়েছে, এই নিয়ে কক্সবাজারে মোট করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ৭৩৫৩ জন।