সীমান্তবর্তী জেলায় ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে করোনা রোগীদের

0

বাংলাদেশে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় কোভিড রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতাল গুলোতে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়েছে। বেড খালি না থাকায় হাসপাতালের ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে অনেক করোনা রোগীকে।

করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের বিস্তারে সংক্রমণের নতুন ‘হটস্পট’ হয়ে উঠেছে ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলো। পরীক্ষার সংখ্যা কম হওয়ায় পরিস্থিতির আসল চিত্র মিলছে না।

দেশের বেশিরভাগ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় এবং বেডের সংখ্যা কম হওয়ায় গুরুতর রোগীরা ছুটছেন বিভাগীয় শহরের বড় হাসপাতালে।
কিন্তু বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোও রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

অনেক হাসপাতালে কোভিডের জন্য নির্ধারিত বেড খালি না থাকায় অতিরিক্ত রোগীকে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকরা বলেছেন, রোগীর চাপ আরও বেড়ে গেলে চিকিৎসা সেবা বড় সংকটে পড়তে পারে।

দেশের দক্ষিণে খুলনা নগরীতে কোভিড রোগীর জন্য নির্ধারিত একশো বেডের একটি হাসপাতাল করা হয়েছিল।

সেখানে চিকিৎসার কাজে রয়েছেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা।

কক্সবাজারের জনবহুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯ জন। গত সপ্তাহের তুলনায় উন্নতি ঘটেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। গত ৯ জুন একদিনে ২২ জন রোহিঙ্গার করেনা শনাক্ত হয়।

সীমান্তবর্তী জেলা সাতক্ষীরা থেকে শুরু করে বাগেরহাট পর্যন্ত এবং অন্যদিকে কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, পিরোজপুর থেকে কোভিড রোগীরা যাচ্ছেন খুলনার সেই হাসপাতালে।

ফলে ঐ হাসপাতালের পক্ষ থেকে গুরুতর নয় এমন রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

ঐ হাসপাতালের মুখপাত্র এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সুহাশ রঞ্জন হালদার বলেছেন, গুরুতর রোগীর সংখ্যাও অনেক বেশি, সেজন্য বেড না থাকায় অনেককে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

সূত্র- বিবিসি