আমেরিকান প্রতিযোগিতায় সাফল্য চুয়েটের

0

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক পেশাজীবী সংগঠন আমেরিকান কনক্রিট ইনস্টিটিউট (এসিআই) এর উদ্যোগে আয়োজিত কনক্রিট প্রজেক্টস প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পুরকৌশল বিভাগের ১৫ ব্যাচের ৩টি দল সবকটি পুরস্কার অর্জন করেছে।

 

চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন- মো. মাহফুজুল ইসলাম ও ইমতিয়াজ ইবনে গিয়াস। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এজাজ আহমেদ ও সৈয়দ মারুফ-উল হাসানের দল প্রথম রানারআপ এবং জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া ও তাবাসসিমা ফারিয়ার দল দ্বিতীয় রানারআপ পুরষ্কার অর্জন করেছে। এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছে চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগ।

 

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলের উপস্থাপিত প্রজেক্ট হচ্ছে- ‘এ ক্রিটিক্যাল রিভিউ অন দ্যা পারফর্মেন্স অব মাইক্রোবিয়াল কনক্রিট ডেভেলপমেন্ট ইউজিং ই-কলি ব্যাকটেরিয়া’। গবেষণাটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম।

 

প্রথম রানারআপ দলের উপস্থাপিত প্রজেক্ট ছিল- ‘ইফেক্ট অব কমপ্যাক্টিং অন দ্যা প্রোপার্টিস অব ইকো-ফ্রেন্ডলি ব্লিন্ডিং ব্লক ইউজিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাই-প্রোডাক্টস’ এবং দ্বিতীয় রানারআপ দলের উপস্থাপিত প্রজেক্ট ছিল- ‘টার্নারি কম্বিনেশন অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়েস্টেজ ফর সাস্টেইনেবল জিওপলিমার মর্টারস’। এই দুটি গবেষণার তত্ত্বাবধানে ছিলেন এসিআই, চুয়েট স্টুডেন্টস চ্যাপ্টারের অনুষদ উপদেষ্টা ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জি.এম. সাদিকুল ইসলাম।

 

তিনি জানান, “শিক্ষার্থীরা চাইলে তাদের আমেরিকাতে তাদের কাজ প্রেজেন্ট করতে পারবে আগামী বছর নামমাত্র ফিতে রেজিস্ট্রেশন করে।”

 

২৭ জুলাই মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্রের এসিআই সদর দপ্তর থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত প্রজেক্টগুলো হতে ‘ব্লাইন্ড রিভিউ’ পদ্ধতিতে পাঁচজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিচারক প্রতিযোগিতার বিজয়ী নির্বাচন করেন।

 

এর আগে, মার্চে এসিআই বিশ্বব্যাপী ভার্চুয়ালি এই প্রতিযোগিতার ঘোষণা দেয়। চুয়েটের প্রজেক্টগুলো থেকে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করে গত মে মাসে চারটি প্রজেক্ট অনলাইনে এসিআই সদর দপ্তরে জমা করা হয়।

 

বিশ্বের প্রায় ২৫০টি দেশে এসিআই-এর স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। চ্যাম্পিয়ন দল পুরষ্কার হিসেবে ৭৫০ মার্কিন ডলার এবং একটি আন্তর্জাতিক সনদপত্র পাবে। অন্যদিকে প্রথম রানারআপ দল ৫০০ মার্কিন ডলার এবং দ্বিতীয় রানারআপ দল ২৫০ মার্কিন ডলারের পাশাপাশি একটি করে সনদপত্র পাবে।

বিখ্যাত ‘কংক্রিট ইন্টারন্যাশনাল ম্যাগাজিন’-এর পরবর্তী সংখ্যায় তাদের কাজ নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে।