ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনদিনের রিমান্ডে হেলেনা জাহাঙ্গীর

হেলেনা জাহাঙ্গীরকে বৃহস্পতিবার রাতে তার গুলশানের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়, দায়ের করা হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা।

0
  • আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত আজ শুক্রবার রাতে এই আদেশ দেন।

তাকে  বৃহস্পতিবার রাতে তার গুলশানের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। শুক্রবার তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়, দায়ের করা হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা।

হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটিতে সদস্য ছিলেন। কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগেরও উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন তিনি।

আজ শুক্রবার বিকেলে কুর্মিটোলায় র‍্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হেলেনা জাহাঙ্গীর স্বীকার করেছেন, তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের মানহানি ও সুনাম নষ্ট করেছেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই আইপি টিভি চ্যানেল পরিচালনা করছিলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। তিনি জেলায় জেলায় প্রতিনিধি নিয়োগের নামে চাঁদাবাজি করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুরে অবস্থিত ওই টেলিভিশন কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। টিভির সম্প্রচার-সরঞ্জাম জব্দ করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সম্প্রতি ফেসবুকে নেতা বানানোর ঘোষণা দিয়ে ছবি পোস্ট করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে সংগঠনটির জেলা, উপজেলা ও বিদেশি শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। কথিত এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীর ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুব মনিরের নাম উল্লেখ করা হয়।