চীনে দ্রুত ছড়াচ্ছে ভারতীয় ডেল্টা, ফের লকডাউন

0

ভারতে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার ভয়াবহ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এখন ছড়িয়ে পড়েছে চীনের ১৪টি প্রদেশে। এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ কমাতে দেশটি পুনরায় লকডাউনের পথ বেছে নিয়েছে।

সোমবার থেকে আবারও কয়েক লাখ মানুষ নিজেদের বাড়ি-ঘরে আটকা পড়েছেন। গত কয়েক মাসের মধ্যে নতুন করে আবারও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং গণহারে লোকজনের করোনা পরীক্ষা করছে কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে ভারতীয় ডেল্টা ভেরিয়েন্টের কারণে দেশটিতে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা।

এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের মুখপাত্র মি ফেং বলেছেন, বর্তমানের সংক্রমনের প্রধান ধরণই হলো ডেল্টা। এটি ভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

চীনের পূর্বাঞ্চলীয় জিয়াংসু প্রদেশের নানজিং বিমানবন্দর থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই ভয়াবহ ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট। বর্তমানে ওই প্রদেশের শত শত লোক লকডাউনে রয়েছে।

তীব্র সংক্রমক ডেল্টা ধরনের পাশাপাশি চীনে পর্যটন মৌসুম হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে অনেক গুণ। নতুন করে আরও দুইটি প্রদেশে সংক্রমিত রোগী পাওয়া গেছে শনিবার। প্রদেশ দুটি হল ফুজিয়ান ও সানজি।

চীনের উহানে ২০১৯ সালে করোনা ভাইরাসে প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটে। সাফল্যের সাথে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয় কিন্তু নতুন ধরনের এ ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে দেশটিকে এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে।

চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের ভাইরাসবিদ ফেং জিজিয়ান বলছেন, ডেলটা ধরনের বিরুদ্ধে কোভিড ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা কিছুটা কমেছে। তবে বর্তমানে এই ভ্যাকসিন এখনো ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কার্যকরী।

বিভিন্ন শহরে গণহারে করোনা টেস্ট শুরু করেছে দেশটি। লাখ লাখ মানুষকে টেস্টের আওতায় আনা হচ্ছে।

২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনের উহান থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। তখন চীন করোনাভাইরাস ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নেয় এবং সফলও হয়। এখনো পর্যন্ত দেশটিতে ৯৫ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে আর মারা গিয়েছেন ৪ হাজারের অধিক মানুষ।