কক্সবাজারে লক্ষ্যমাত্রার ৯৭.৮৮% লোক করোনার টিকা নিয়েছে

0

কক্সবাজার জেলার ৪৪ হাজার ৭৮০ জন মানুষ গণটিকাদানে অংশগ্রহণ করে করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন। যা জেলার লক্ষমাত্রার ৯৭.৮৮ শতাংশ।

শনিবার সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব মুখর পরিবেশে জেলার ৮ টি উপজেলার ৭০ টি ইউনিয়ন ও ৪ টি পৌরসভার লোকজন গণটিকা গ্রহন করেছেন।

জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, বৈরি আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে গণটিকা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই ইউপি বাদে জেলার ৪ টি পৌরসভা ও ৭০ টি ইউনিয়নে গণটিকা কার্যক্রমে লোকজনের অংশ্রগ্রহন ছিল স্বতস্ফুর্ত। জেলার ৪৬ হাজার ৭৫০ জনকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যার ৯৭.৮৮% টিকা গ্রহণ করেছেন।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, গণটিকার জন্য কক্সবাজারে বরাদ্দ আসে ৪৫ হাজার ৬০০। এর সাথে নিয়মিত টিকার মজুদ থেকে ১৫০ যোগ করে ৮ টি উপজেলাতে ৪৫ হাজার ৭৫০ ডোজ টিকা দেয়া হয়। তবে গণটিকা গ্রহন করেছেন ৪৪ হাজার ৭৮০ জন। এরমধ্যে কক্সবাজার পৌরসভার ২ হাজার ৩৯৪ জন, সদরের ৫ হাজার ৮০৪ জন, রামুর ৬ হাজার ৬০০ জন,  চকরিয়ায় ১০ হাজার ৮০০ জন, পেকুয়ার ৪ হাজার ৬৬জন, কুতুবদিয়ার ৩ হাজার ৬০০ জন, মহেশখালির ৫ হাজার ৪০০ জন, উখিয়ার ৩ হাজার ১১৬ জন ও টেকনাফের ৩ হাজার জন করোনার টিকা গ্রহন করেছেন।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ডে ১২ টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৪০০ জন টিকার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমরা কাজ করেছি। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৯৪জনকে আমরা টিকা দিতে পেরেছি।

কক্সবাজার সিভিল সার্জন মাহাবুবুর রহমান বলেন, জেলার লক্ষ্যমাত্রার ৯৭.৮৮% লোক করোনার টিকা গ্রহন করেছেন। এছাড়া শনিবারে জেলায় নিয়মিত করোনার টিকা নিয়েছেন ২ হাজার ৯৯২ জন। পরবর্তীতে কখন আবার গণটিকা দেয়া হবে তার নির্দেশনা পাইনি। কেন্দ্রের পরবর্তীতে আদেশ পেলে সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, প্রতিকুল আবহাওয়া ও বৃষ্টি বাঁধা উপক্ষো করেই জেলার গণটিকা কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেছেন সাধারন জনগন। প্রথমদিনে গণটিকার আওতায় এসেছে ৪৪ হাজার ৭৮০ জন।