মহেশখালীতে গোলাগুলি, দুই ওয়ার্ডে ভোট গ্রহন বন্ধ, নিহত ১

0

কক্সবাজারের মহেশখালির কুতু্বজুম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছুরিকাঘাত ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে ওই ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের দুই কেন্দ্রের ভোটগ্রহন আপাতত বন্ধ রয়েছে। ওই ঘটনায় আবুল কালাম নামের একজন নিহত হয়েছে এবং ৪ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসাপাতাল আনা হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯ টায় কুতুবজুমের ৪ নং ও ৫ নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের সংখ্যা জানাতে পারেনি কেউ। কি কারণে এইঘটনা ঘটেছে প্রশাসন জানাতে না পারলেও চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরকে দোষারোপ করছে।
এবিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়াম্যান প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থকরা কুতুবজুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জামিয়ুস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাস কেন্দ্র দখল নিতে পরিকল্পিতভাবে গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটিয়েছে।
তবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর করা অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোশারররফ হোসেন খোকন বলেন, প্রায়ই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিচ্ছে শেখ কামালের সন্ত্রাসী বাহিনী। এমন খবর পেয়ে ভোটার ও তাঁর সমর্থকরা ৪ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রে গেলে নৌকার প্রার্থীর ক্যাডাররা গুলি করি।

তিনি আরো বলেন, ৫ নং ওয়ার্ডের জামিয়ুস সুন্নাহ দারুল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের ফরিদুল আলম ও টিউবওয়েল প্রতীকের জহিরুল ইসলামের সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে কুতু্বজুম ইউপি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহামুদুর রহমান বলেন, গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছেঁছি। দুই কেন্দ্রই পাশাপাশি। আপাতত দুই কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত রয়েছপরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পূণরায় ভোট গ্রহন শুরু হবে।

এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, গোলাগুলি ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে। এতে আশংকাজনক আবুল কালাম নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। নিহতের মৃতদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার হাসানুজাম্মান বলেন, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় কুতুবজুমে দুই কেন্দ্র ভোট গ্রহন বন্ধ। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এখন। সহসাই ভোট গ্রহন শুরু হবে।