কক্সবাজারে হচ্ছে ঝিনুক আকৃতির রেলস্টেশন

0

পর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বমানের রেলস্টেশন। সাগর পাড়ে বিশাল আকৃতির এক ঝিনুক। তার পেটের মধ্যে মুক্তার দানা। এমন আকৃতির নকশায় কক্সবাজার রেলস্টেশন নির্মিত হচ্ছে। কক্সবাজার বাস টার্মিনালের বিপরীতে চৌধুরীপাড়ায় এই নান্দনিক রেলস্টেশন ভবনের নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে সরকার যে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপনা তারই অংশ।কিছুদিন আগেও যেখানে ছিলনা রেললাইন, সেই সাগরপাড়েই এবার হচ্ছে ট্রেনের দৃষ্টিনন্দন বাড়ি। কক্সবাজারের অংশে এগিয়ে যাচ্ছে রেল লাইন নির্মাণ কাজ। কক্সবাজার বাস টার্মিনালের পাশেই একটি বড়সড় ঝিনুক তৈরি করছে রেলওয়ে। ঝিনুকটির দুই অংশের মাঝে ফাঁকা থাকবে ছয় তলা উচ্চতার সমান। এই ঝিনুকটির পেটেই হবে মূল স্টেশন, যেখানে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের স্টেশনের সব সুবিধা।

কক্সবাজার-ঘুমধুম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান জানান, দ্বিতীয় তলার ফুটওভারব্রিজ ব্যবহার করে যাত্রীরা উঠবেন ট্রেনে। ৬ তলা স্টেশন ভবনে যাত্রীদের ওয়েটিং রুম, শিশু যত্ন কেন্দ্র, শিশুদের খেলার জায়গা, রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল, মিলনায়তনসহ আধুনিক সব সুবিধা থাকবে এখানে।

তিনি আরো জানান, চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজারের ঘুমধুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণের প্রকল্পের অধীনে নির্মিত হচ্ছে ঝিনুক আকৃতির এই স্টেশন। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। নান্দনিক নির্মাণশৈলীর এই স্টেশনটি চালু হলে সৈকতের নগরীতে পর্যটক বহুগুণ বাড়বে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, দোহাজারী-কক্সবাজার রেল লাইনে প্রথমে হবে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত। রামু হবে জংশন। আর সেখান থেকে একটি লাইন চলে যাবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। তখন ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেনে পৌঁছানো যাবে কক্সবাজারে।

সোর্স abdullah al sifat abdullah al sifat abdullah al sifat
abdullah al sifat abdullah al sifat abdullah al sifat