প্রজাতন্ত্রের একজন দক্ষ সেবকের বিদায়

0

সুজন কান্তি পালঃ
উখিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
বাংলাদেশের আইন ও সরকারী চাকরী বিধি অনুয়ায়ী একজন সরকারী কর্মকর্তা একটি জেলা বা উপজেলায় যোগদান করে স্ব-স্ব দ্বায়িত্ব পালন শেষে নির্ধারিত বা অনির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্য জেলা বা উপজেলায় বদলী হবেন। আবার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন। ওই সময়ের মধ্যে দ্বায়িত্ব পালনের সময় নিজের কর্মস্থলের সহকর্মি ও দ্বায়িত্বরত এলাকার জনগণকে আপন করে নেবেন এটাই স্বাভাবিক নিয়ম।দেশের প্রত্যেক সরকারী কর্মকর্তা তার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব যার যার সাধ্যমতো পালন করে থাকেন। ঠিক তেমনি উখিয়ায় যোগদান পরবর্তী সময়কাল থেকে নিজাম উদ্দিন আহমেদও চেষ্টা করেছেন তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে।তবে চলমান বৈশ্বিক মহামারি করোনা, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলা ও বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া পাঁচ ইউপি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও সকল অংশীজনের কাছে গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজনে নির্বাহী বিভাগের অংশ হিসেবে তাঁর নেয়া নানা পদক্ষেপ ইতিমধ্যে তাঁকে একটি অনন্য মর্যাদা দিয়েছে।প্রতিষ্ঠিত করেছে একজন মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে।নির্বাচনী ব্যবস্থার উপর উখিয়ার মানুষের যেখানে আস্থার সংকট দেখা দিয়েছিল তা তিনি ফের করেছেন পুনরুদ্ধার।নির্বাচনের সকল অংশীজন ইতিমধ্যে একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন সেসময়ে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচন গুলো অতীতের যেকোন নির্বাচনের চেয়ে সহিংসতামুক্ত, অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ ও অবাধ হয়েছে। সকলে একবাক্যে স্বীকার করেছেন একজন নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের সেদিন দৃশ্যমান ভালো নজরদারী থাকায় সকল অংশীজনের কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়েছিল।এতে নির্বাচনের উপর হারানো উখিয়াবাসীর আস্থা পুনরায় ফিরেও এসেছিলো।এইরকম একজন জনপ্রশাসনের সেবকের বদলিতে শুভাকাঙ্খীরা কিছুটা মর্মাহত হবেন এমনটাই স্বাভাবিক। হচ্ছেও তাই। আমার বিশ্বাস যেখানেই তিনি কর্মজীবনে দ্বায়িত্ব পালন করবেন সেখানেই একজন দক্ষ প্রশাসক,প্রজাতন্ত্রের সেবক, মানবিক কর্মকর্তা হিসেবেই নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। সৃষ্টি কর্তা নিশ্চয় ওনার সহায় হবেন।